London ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

অভিভাবকের কান্না, জনতার ক্ষোভ—অবশেষে মুখ খুললেন সহকারী পুলিশ সুপার

১১ দিনেও ধরা পড়ল না জায়ান হত্যার সন্দেহভাজনরা—ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রাম

ফরিদপুর প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার পাকুড়িয়া গ্রামের শিশু জায়ান মোল্লার মৃত্যুর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্দেহভাজন কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ—এ অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। শোকে ভেঙে পড়া পরিবার বলছে, পুলিশ নিজেই জানে কারা পলাতক, তারপরও গ্রেপ্তারের অগ্রগতি নেই।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টায় আলফাডাঙ্গা বাজারের চৌরাস্তায় জাভেদ পারভেজ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও জাভেদ পারভেজ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট–এর শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আয়োজিত মানববন্ধনে মানুষের ঢল নামে।

মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত শিশুর মা কামরুন্নাহার সিনথিয়া বলেন “ছেলের ঝুলন্ত লাশ দেখে কোন মা ঠিক থাকতে পারে? আমার ছেলের কবরের মাটি শুকিয়ে যাচ্ছে, আর খুনি এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কারা পলাতক—পুলিশ জানে। তাহলে ১১ দিনেও কাউকে ধরতে পারল না কেন?”

গত ২০ নভেম্বর, পাকুড়িয়া গ্রামের একটি বাগানে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় শিশু জায়ানের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে পুলিশ এসে লাশ নামায়। ঘটনার পর থেকেই পরিবারের সন্দেহভাজন চার ব্যক্তি এলাকা ছেড়েছেন—এ অভিযোগ দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে।

এএসপির মন্তব্য—‘লক্ষ্যবস্তু ঠিক করেছি’ সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালি সার্কেল) আজম খান এ বিষয়ে বলেন “আমরা ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলা যাচ্ছে না। আমাদের লক্ষ্যবস্তু স্থির হয়েছে, খুব দ্রুতই একটি ফলাফল দেখতে পাবেন।”

উপপরিদর্শক লিয়াকত হোসেনের ‘লিখিতভাবে নাম–ঠিকানা চাওয়ার’ মন্তব্য নিয়ে তিনি আরও বলেন “নাম দিলেই কি তাদের পাওয়া যাবে? আমরা মাঠে কাজ করছি। আজ মামলার আইওসহ বসছি। পরিবারের যে দায়িত্ব, তার কোনো অংশ আমরা কম নিচ্ছি না। এই মামলাটাই এখন আমার প্রধান অগ্রাধিকার।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
৬৩
Translate »

অভিভাবকের কান্না, জনতার ক্ষোভ—অবশেষে মুখ খুললেন সহকারী পুলিশ সুপার

১১ দিনেও ধরা পড়ল না জায়ান হত্যার সন্দেহভাজনরা—ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রাম

আপডেট : ০৪:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার পাকুড়িয়া গ্রামের শিশু জায়ান মোল্লার মৃত্যুর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্দেহভাজন কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ—এ অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। শোকে ভেঙে পড়া পরিবার বলছে, পুলিশ নিজেই জানে কারা পলাতক, তারপরও গ্রেপ্তারের অগ্রগতি নেই।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টায় আলফাডাঙ্গা বাজারের চৌরাস্তায় জাভেদ পারভেজ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও জাভেদ পারভেজ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট–এর শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আয়োজিত মানববন্ধনে মানুষের ঢল নামে।

মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত শিশুর মা কামরুন্নাহার সিনথিয়া বলেন “ছেলের ঝুলন্ত লাশ দেখে কোন মা ঠিক থাকতে পারে? আমার ছেলের কবরের মাটি শুকিয়ে যাচ্ছে, আর খুনি এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কারা পলাতক—পুলিশ জানে। তাহলে ১১ দিনেও কাউকে ধরতে পারল না কেন?”

গত ২০ নভেম্বর, পাকুড়িয়া গ্রামের একটি বাগানে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় শিশু জায়ানের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে পুলিশ এসে লাশ নামায়। ঘটনার পর থেকেই পরিবারের সন্দেহভাজন চার ব্যক্তি এলাকা ছেড়েছেন—এ অভিযোগ দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে।

এএসপির মন্তব্য—‘লক্ষ্যবস্তু ঠিক করেছি’ সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালি সার্কেল) আজম খান এ বিষয়ে বলেন “আমরা ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলা যাচ্ছে না। আমাদের লক্ষ্যবস্তু স্থির হয়েছে, খুব দ্রুতই একটি ফলাফল দেখতে পাবেন।”

উপপরিদর্শক লিয়াকত হোসেনের ‘লিখিতভাবে নাম–ঠিকানা চাওয়ার’ মন্তব্য নিয়ে তিনি আরও বলেন “নাম দিলেই কি তাদের পাওয়া যাবে? আমরা মাঠে কাজ করছি। আজ মামলার আইওসহ বসছি। পরিবারের যে দায়িত্ব, তার কোনো অংশ আমরা কম নিচ্ছি না। এই মামলাটাই এখন আমার প্রধান অগ্রাধিকার।”