London ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

১০০ কোটির মানহানি মামলার মুখে ভিকি-রাশমিকার ছবি

অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি ভারতে মুক্তি পেয়েছে ভিকি কৌশল-রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ছবি ‘ছাবা’। শিবাজি সাওয়ান্তের লেখা মারাঠি উপন্যাস ‘ছাবা’ অবলম্বনে তৈরি এই ছবির উপজীব্য ছত্রপতি শিবাজির জ্যেষ্ঠ পুত্র সম্ভাজির জীবনকাহিনি। খলনায়ক হিসেবে সেখানে দেখানো হয়েছে বৃদ্ধ মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবকে। এমন আলোচিত কাহিনির ছবি গত কয়েক দিনে ভালো ব্যবসা করেছে। লক্ষ্মণ উতেকর পরিচালিত এই ছবির প্রশংসা করেছেন তাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। কিন্তু এরই মধ্যে বিপত্তিতে পড়ল ছবিটি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, এই ছবি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন গণোজি ও কনহোজি শির্কের বংশধরেরা। ইতোমধ্যেই ছবির সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলার হুমকি দিয়েছেন তারা। দাবি, তাদের পূর্বপুরুষদের চিত্রায়ণ নাকি যথাযথ তুলে ধরা হয়নি ছবিতে।

ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের বিশ্বস্ত মিত্র ছিলেন গণোজি এবং কানহোজি। ছবির চিত্রনাট্য অনুযায়ী মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সম্ভাজির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন সম্ভাজির এই দুই মিত্র। এর ফলে মারাঠা শাসকের মৃত্যু হয়।  এমন চিত্রায়ণে আপত্তি জানিয়েছেন তাদের বংশধরেরা। পাশাপাশি তাদের বিশ্বাস, ছবিতে তাদের পূর্বপুরুষদের যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তা তাদের উত্তরাধিকারকে কলঙ্কিত করছে।

ছবিটি মুক্তির পর গণোজি এবং কানহোজি শির্কের ১৩তম বংশধর লক্ষ্মীকান্ত রাজে শির্ক চলচ্চিত্র নির্মাতাদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,‘ঐতিহাসিক তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা।’ হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান, এই চিত্রায়ণ তার পরিবারের ঐতিহ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তারা ইতোমধ্যেই পরিচালককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। লক্ষ্মীকান্ত তার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা দায়ের করার হুমকিও দিয়েছেন।

এদিকে পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকর ব্যক্তিগতভাবে এই যোদ্ধাদের বংশধর ভূষণ শির্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এমন অনিচ্ছাকৃত আঘাতের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৯২
Translate »

১০০ কোটির মানহানি মামলার মুখে ভিকি-রাশমিকার ছবি

আপডেট : ০৪:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সম্প্রতি ভারতে মুক্তি পেয়েছে ভিকি কৌশল-রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ছবি ‘ছাবা’। শিবাজি সাওয়ান্তের লেখা মারাঠি উপন্যাস ‘ছাবা’ অবলম্বনে তৈরি এই ছবির উপজীব্য ছত্রপতি শিবাজির জ্যেষ্ঠ পুত্র সম্ভাজির জীবনকাহিনি। খলনায়ক হিসেবে সেখানে দেখানো হয়েছে বৃদ্ধ মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবকে। এমন আলোচিত কাহিনির ছবি গত কয়েক দিনে ভালো ব্যবসা করেছে। লক্ষ্মণ উতেকর পরিচালিত এই ছবির প্রশংসা করেছেন তাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। কিন্তু এরই মধ্যে বিপত্তিতে পড়ল ছবিটি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, এই ছবি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন গণোজি ও কনহোজি শির্কের বংশধরেরা। ইতোমধ্যেই ছবির সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলার হুমকি দিয়েছেন তারা। দাবি, তাদের পূর্বপুরুষদের চিত্রায়ণ নাকি যথাযথ তুলে ধরা হয়নি ছবিতে।

ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের বিশ্বস্ত মিত্র ছিলেন গণোজি এবং কানহোজি। ছবির চিত্রনাট্য অনুযায়ী মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সম্ভাজির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন সম্ভাজির এই দুই মিত্র। এর ফলে মারাঠা শাসকের মৃত্যু হয়।  এমন চিত্রায়ণে আপত্তি জানিয়েছেন তাদের বংশধরেরা। পাশাপাশি তাদের বিশ্বাস, ছবিতে তাদের পূর্বপুরুষদের যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তা তাদের উত্তরাধিকারকে কলঙ্কিত করছে।

ছবিটি মুক্তির পর গণোজি এবং কানহোজি শির্কের ১৩তম বংশধর লক্ষ্মীকান্ত রাজে শির্ক চলচ্চিত্র নির্মাতাদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,‘ঐতিহাসিক তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা।’ হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান, এই চিত্রায়ণ তার পরিবারের ঐতিহ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তারা ইতোমধ্যেই পরিচালককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। লক্ষ্মীকান্ত তার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা দায়ের করার হুমকিও দিয়েছেন।

এদিকে পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকর ব্যক্তিগতভাবে এই যোদ্ধাদের বংশধর ভূষণ শির্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এমন অনিচ্ছাকৃত আঘাতের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।