London ১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
রাণীনগরে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের লিফলেট বিতরণ সিরাজগঞ্জে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে রংতুলি শ্রমিক ফেডারেশনের খাদ্য সামগ্রী প্রদান নেত্রকোণায় জলমহাল সংস্কার ও খনন শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত আলুর বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের শিয়ালকোলে বারাআত মাহফিলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৮০ ড্রেস বিতরণ সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে ঠোঁট-কাটা, তালু কাটা রোগীদের আধুনিক প্লাস্টিক সার্জারী চালু প্রবাসী’র পক্ষে ব‍্যারিস্টার নাজির ও মীর্জা আসহাব এর বিমান ও পর্যটন সচিব ও উপদেষ্টার সাথে বৈঠক দুর্গাপুরে নির্বাচনী প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানিয়ারচর প্রেস ক্লাবের উন্ন‌য়নে চেয়ার-টেবিল প্রদান ক‌রে‌ছে নানিয়ারচর জোন গোদাগাড়ীতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে অর্থ আদায়

ফখরের বাদ পড়ার পেছনে ফিটনেসই বড় ইস্যু?

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দুই টেস্টের দল থেকে বাবর আজম বাদ পড়ায় প্রতিবাদ করেন ফখর জামান। সেজন্য তাকে শোকজ নোটিশ পাঠায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেই নোটিশের জবাব অবশ্য দিয়েছেন তিনি। তবে তা কাজে লাগেনি।

ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের সাদা বলের দল ও কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে জায়গা হারিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তার বাদ পড়ার পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে ‘বিতর্কিত’ সেই টুইট। তবে এর চেয়ে ফিটনেস ইস্যুকেই বড় করে দেখছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাদা বলে পাকিস্তানের নতুন অধিনায়ক হিসেবে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। সেখানেই ফখর প্রসঙ্গে নাকভি বলেন, ‘টুইটের বিষয়টি অবশ্যই আমলে নিয়েছি আমরা। তবে এর চেয়েও আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি তার ফিটনেস টেস্টগুলোতে। তার দুটো ইস্যু ছিল- ফিটনেস টেস্ট ও শোকজ নোটিশ, যা এখনো ঝুলে রয়েছে। এই কারণেই তাকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেওয়া হয়নি।’

‘ফখর কানেকশন ক্যাম্পে ভালোই কথা বলেছে এবং এর ফলে আমরা অনেক কিছু ঠিক করেছি ও আন্তর্জাতিক বিভাগে আরও কাজ করছি। সেজন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এর মানে এই নয় যে, একজন খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হলে আরেক খেলোয়াড় নির্বাচক কমিটির বিরুদ্ধে টুইট করা শুরু করবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না এবং মেনে নেওয়া হবে না। তবে বড় ইস্যু হলো তার ফিটনেস টেস্ট।’

বাবর বাদ পড়ার পর তার পাশে দাঁড়িয়ে ফখর টুইটারে লিখেছিলেন, ‘বাবর আজমকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে শুনছি, এটা উদ্বেগজনক। ভারত তো বিরাট কোহলিকে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের খারাপ সময়ের জন্য বেঞ্চে বসায়নি। ওই সময় কোহলির গড় ছিল যথাক্রমে ১৯.৩৩, ২৮.২১ এবং ২৬.৫০।’ 

‘আমরা যদি দলের প্রধান ব্যাটসম্যানকে বসিয়ে রাখার চিন্তা করি, যে কি না তর্কযোগ্যভাবে পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান, এটা দলের মধ্যে গভীর নেতিবাচক বার্তা দেয়। এখনো প্যানিক বাটনে চাপ দেওয়াটা এড়ানোর সময় আছে। প্রধান খেলোয়াড়দের অবমূল্যায়ন না করে তাদের রক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে আমাদের।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪
১০১
Translate »

ফখরের বাদ পড়ার পেছনে ফিটনেসই বড় ইস্যু?

আপডেট : ০৪:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দুই টেস্টের দল থেকে বাবর আজম বাদ পড়ায় প্রতিবাদ করেন ফখর জামান। সেজন্য তাকে শোকজ নোটিশ পাঠায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেই নোটিশের জবাব অবশ্য দিয়েছেন তিনি। তবে তা কাজে লাগেনি।

ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের সাদা বলের দল ও কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে জায়গা হারিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তার বাদ পড়ার পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে ‘বিতর্কিত’ সেই টুইট। তবে এর চেয়ে ফিটনেস ইস্যুকেই বড় করে দেখছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাদা বলে পাকিস্তানের নতুন অধিনায়ক হিসেবে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। সেখানেই ফখর প্রসঙ্গে নাকভি বলেন, ‘টুইটের বিষয়টি অবশ্যই আমলে নিয়েছি আমরা। তবে এর চেয়েও আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি তার ফিটনেস টেস্টগুলোতে। তার দুটো ইস্যু ছিল- ফিটনেস টেস্ট ও শোকজ নোটিশ, যা এখনো ঝুলে রয়েছে। এই কারণেই তাকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেওয়া হয়নি।’

‘ফখর কানেকশন ক্যাম্পে ভালোই কথা বলেছে এবং এর ফলে আমরা অনেক কিছু ঠিক করেছি ও আন্তর্জাতিক বিভাগে আরও কাজ করছি। সেজন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এর মানে এই নয় যে, একজন খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হলে আরেক খেলোয়াড় নির্বাচক কমিটির বিরুদ্ধে টুইট করা শুরু করবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না এবং মেনে নেওয়া হবে না। তবে বড় ইস্যু হলো তার ফিটনেস টেস্ট।’

বাবর বাদ পড়ার পর তার পাশে দাঁড়িয়ে ফখর টুইটারে লিখেছিলেন, ‘বাবর আজমকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে শুনছি, এটা উদ্বেগজনক। ভারত তো বিরাট কোহলিকে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের খারাপ সময়ের জন্য বেঞ্চে বসায়নি। ওই সময় কোহলির গড় ছিল যথাক্রমে ১৯.৩৩, ২৮.২১ এবং ২৬.৫০।’ 

‘আমরা যদি দলের প্রধান ব্যাটসম্যানকে বসিয়ে রাখার চিন্তা করি, যে কি না তর্কযোগ্যভাবে পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান, এটা দলের মধ্যে গভীর নেতিবাচক বার্তা দেয়। এখনো প্যানিক বাটনে চাপ দেওয়াটা এড়ানোর সময় আছে। প্রধান খেলোয়াড়দের অবমূল্যায়ন না করে তাদের রক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে আমাদের।’