London ১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দুর্গাপুরে বিপুল সংখ্যক ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারি দম্পতি আটক গণভোট সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে মোহাম্মদ আলম হোসেন, জেলা প্রশাসক, গাজীপুর নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড রাঙ্গামা‌টি দূর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীত উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাকসু জিএস আম্মারের মানসিক চিকিৎসার জন্য মানববন্ধন কলমাকান্দায় ইউএনওকে শাসানো ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর বরখাস্ত কসবা–আখাউড়া আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে আশার প্রতীক জহিরুল হক চৌধূরী রাজশাহী চেম্বার অফ কমার্সের নির্বাচন স্থগিত রাজশাহীতে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত

কসবা–আখাউড়া আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে আশার প্রতীক জহিরুল হক চৌধূরী

মোঃ বিল্লাল সরকার(ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি)

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে গণ অধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক অবস্থান, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার কারণে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তার প্রার্থিতা নিয়ে ইতোমধ্যেই আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী গণ অধিকার পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ড. ইউনুস পরিষদ (সহইডেন শাখা)–এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক দক্ষতা তাকে একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি পেশাগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী ও প্রবাসী। শিক্ষা জীবন শেষে প্রবাসে অবস্থান করলেও দেশের মানুষের সঙ্গে তার সংযোগ কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। প্রবাস জীবনেও তিনি অসহায়, কাজহীন ও কাগজবিহীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। এই মানবিক ভূমিকার কারণে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝেও ব্যাপকভাবে পরিচিত।
রাজনৈতিকভাবে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ব্যতিক্রম—তিনি কখনোই আওয়ামী লীগ বা তাদের সহযোগী কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। একই সঙ্গে তিনি দ্বৈত নাগরিক নন। দলীয় ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিক ধাপে তার সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাননীয় রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়ন আইনগতভাবে বৈধ ঘোষণা করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতামত বিবেচনা করেই তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ আসনের জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেন। এমনকি মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার ফখরুদ্দিন মোল্লাও রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দিয়ে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় অনেক ভোটার তাকে একজন স্বতন্ত্র চিন্তার, সাহসী ও আপসহীন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখেন। তিনি সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী।

প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরে জহিরুল হক চৌধূরী বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার রাজনীতি করতে চাই। নির্বাচিত হলে কসবা–আখাউড়ার মানুষের মৌলিক অধিকার—খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান দায়িত্ব। উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামো নয়, উন্নয়ন মানে মানুষের মর্যাদা।”
তিনি আরও বলেন,
“প্রতিহিংসা ও দখলদারির রাজনীতি নয়—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে রাজনীতি করাই আমার অঙ্গীকার।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কসবা–আখাউড়া আসনে একজন সৎ, দক্ষ ও অধিকারকেন্দ্রিক জনপ্রতিনিধির অভাব অনুভূত হচ্ছিল। সেই শূন্যতা পূরণে মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী একটি বাস্তবসম্মত ও সম্ভাবনাময় বিকল্প হয়ে উঠছেন।
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই স্থানীয় জনগণের মাঝে তার প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার, প্রবাসী পরিবার ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত তিনি কসবা–আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন—
“ভোটের মাধ্যমেই জনগণ তাদের অধিকার নিশ্চিত করবেন।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
Translate »

কসবা–আখাউড়া আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে আশার প্রতীক জহিরুল হক চৌধূরী

আপডেট : ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে গণ অধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক অবস্থান, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার কারণে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তার প্রার্থিতা নিয়ে ইতোমধ্যেই আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী গণ অধিকার পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ড. ইউনুস পরিষদ (সহইডেন শাখা)–এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক দক্ষতা তাকে একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি পেশাগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী ও প্রবাসী। শিক্ষা জীবন শেষে প্রবাসে অবস্থান করলেও দেশের মানুষের সঙ্গে তার সংযোগ কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। প্রবাস জীবনেও তিনি অসহায়, কাজহীন ও কাগজবিহীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। এই মানবিক ভূমিকার কারণে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝেও ব্যাপকভাবে পরিচিত।
রাজনৈতিকভাবে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ব্যতিক্রম—তিনি কখনোই আওয়ামী লীগ বা তাদের সহযোগী কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। একই সঙ্গে তিনি দ্বৈত নাগরিক নন। দলীয় ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিক ধাপে তার সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাননীয় রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়ন আইনগতভাবে বৈধ ঘোষণা করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতামত বিবেচনা করেই তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ আসনের জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেন। এমনকি মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার ফখরুদ্দিন মোল্লাও রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দিয়ে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় অনেক ভোটার তাকে একজন স্বতন্ত্র চিন্তার, সাহসী ও আপসহীন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখেন। তিনি সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী।

প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরে জহিরুল হক চৌধূরী বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার রাজনীতি করতে চাই। নির্বাচিত হলে কসবা–আখাউড়ার মানুষের মৌলিক অধিকার—খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান দায়িত্ব। উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামো নয়, উন্নয়ন মানে মানুষের মর্যাদা।”
তিনি আরও বলেন,
“প্রতিহিংসা ও দখলদারির রাজনীতি নয়—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে রাজনীতি করাই আমার অঙ্গীকার।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কসবা–আখাউড়া আসনে একজন সৎ, দক্ষ ও অধিকারকেন্দ্রিক জনপ্রতিনিধির অভাব অনুভূত হচ্ছিল। সেই শূন্যতা পূরণে মোঃ জহিরুল হক চৌধূরী একটি বাস্তবসম্মত ও সম্ভাবনাময় বিকল্প হয়ে উঠছেন।
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই স্থানীয় জনগণের মাঝে তার প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার, প্রবাসী পরিবার ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত তিনি কসবা–আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন—
“ভোটের মাধ্যমেই জনগণ তাদের অধিকার নিশ্চিত করবেন।”