London ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

কম্পিউটার সমিতিতে প্রশাসক নিয়োগ

যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজকে বিসিএসের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছেছবি: সংগৃহীত

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতের সবচেয়ে পুরোনো সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিতে (বিসিএস) নতুন প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। প্রশাসক হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি অনুবিভাগের রপ্তানি-১ অধিশাখায় কর্মরত। আজ বুধবার বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগ থেকে প্রশাসক নিয়োগের এই অফিস আদেশ জারি করা হয়।

বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক নাজনীন কাউসার চৌধুরীর সই করা আদেশে বাণিজ্য বিধি অনুযায়ী, প্রশাসককে দায়িত্ব গ্রহণের ১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিসিএসের পরবর্তী নির্বাহী কমিটি (ইসি) গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে কারণ হিসেবে বিসিএসের ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির সব সদস্যের পদত্যাগের কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০২২-এর ১৭ ধারা মোতাবেক সরকারের অনুমোদনক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নাহিদ আফরোজকে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রশাসক নিয়োগ করা হলো। তিনি ১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে এই মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।’

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০ আগস্ট বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) কার্যনির্বাহী কমিটির সব একযোগে পদত্যাগ করেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর এক তলবি সভার মাধ্যমে স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে অন্তর্বর্তীকালীন আহ্বায়ক নির্বাচিত করা হয়। এ সভায় বিসিএসের বেশ কয়েকজন সাবেক সভাপতিসহ সদস্যদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সমিতির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য পরিচালক, বাণিজ্য সংগঠনে (ডিটিও) পাঠানো হয়। তবে ডিটিও বিষয়টি অনুমোদন করেনি। আজ সংগঠনে প্রশাসক নিয়োগের অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আজ সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। যেহেতু বিসিএসের সদস্যরা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, তাই আমি প্রশাসককে সার্বিক সহযোগিতা করব। তাঁর সঙ্গে কাজ করব।’

বিসিএসের সাবেক সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, ‘আমরা চাই না যে আমাদের বিসিএসে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হোক। যাঁদের আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলাম, সংগঠন না চালাতে পারলে তাঁদের উচিত ছিল পদত্যাগ করার আগে কমিটিতে যোগ্য কয়েকজনকে ‘কো-অপ্ট’ করে নেওয়া। আমাদের গঠনতন্ত্রেও কিছু সংশোধনী আনা দরকার, সেটা করা যেত। নতুন প্রশাসক চার মাসের জন্য এসেছেন, এর পরেই ভোট। আমার অনুরোধ, নতুন প্রশাসক যেন আমাদের ভোটার তালিকাও ঠিক করে দেন। এটা কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সংগঠন। এখানে শুধু কম্পিউটার ব্যবসায়ীরাই থাকবেন।’

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল বিসিএসের ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি ও ১১টি শাখা কমিটির নির্বাচন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০২:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৪৪
Translate »

কম্পিউটার সমিতিতে প্রশাসক নিয়োগ

আপডেট : ০২:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজকে বিসিএসের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছেছবি: সংগৃহীত

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতের সবচেয়ে পুরোনো সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিতে (বিসিএস) নতুন প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। প্রশাসক হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি অনুবিভাগের রপ্তানি-১ অধিশাখায় কর্মরত। আজ বুধবার বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগ থেকে প্রশাসক নিয়োগের এই অফিস আদেশ জারি করা হয়।

বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক নাজনীন কাউসার চৌধুরীর সই করা আদেশে বাণিজ্য বিধি অনুযায়ী, প্রশাসককে দায়িত্ব গ্রহণের ১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিসিএসের পরবর্তী নির্বাহী কমিটি (ইসি) গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে কারণ হিসেবে বিসিএসের ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির সব সদস্যের পদত্যাগের কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০২২-এর ১৭ ধারা মোতাবেক সরকারের অনুমোদনক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নাহিদ আফরোজকে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রশাসক নিয়োগ করা হলো। তিনি ১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে এই মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।’

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০ আগস্ট বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) কার্যনির্বাহী কমিটির সব একযোগে পদত্যাগ করেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর এক তলবি সভার মাধ্যমে স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে অন্তর্বর্তীকালীন আহ্বায়ক নির্বাচিত করা হয়। এ সভায় বিসিএসের বেশ কয়েকজন সাবেক সভাপতিসহ সদস্যদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সমিতির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য পরিচালক, বাণিজ্য সংগঠনে (ডিটিও) পাঠানো হয়। তবে ডিটিও বিষয়টি অনুমোদন করেনি। আজ সংগঠনে প্রশাসক নিয়োগের অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আজ সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। যেহেতু বিসিএসের সদস্যরা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, তাই আমি প্রশাসককে সার্বিক সহযোগিতা করব। তাঁর সঙ্গে কাজ করব।’

বিসিএসের সাবেক সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, ‘আমরা চাই না যে আমাদের বিসিএসে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হোক। যাঁদের আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলাম, সংগঠন না চালাতে পারলে তাঁদের উচিত ছিল পদত্যাগ করার আগে কমিটিতে যোগ্য কয়েকজনকে ‘কো-অপ্ট’ করে নেওয়া। আমাদের গঠনতন্ত্রেও কিছু সংশোধনী আনা দরকার, সেটা করা যেত। নতুন প্রশাসক চার মাসের জন্য এসেছেন, এর পরেই ভোট। আমার অনুরোধ, নতুন প্রশাসক যেন আমাদের ভোটার তালিকাও ঠিক করে দেন। এটা কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সংগঠন। এখানে শুধু কম্পিউটার ব্যবসায়ীরাই থাকবেন।’

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল বিসিএসের ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি ও ১১টি শাখা কমিটির নির্বাচন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।