London ১০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
রাণীনগরে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের লিফলেট বিতরণ সিরাজগঞ্জে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে রংতুলি শ্রমিক ফেডারেশনের খাদ্য সামগ্রী প্রদান নেত্রকোণায় জলমহাল সংস্কার ও খনন শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত আলুর বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের শিয়ালকোলে বারাআত মাহফিলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৮০ ড্রেস বিতরণ সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে ঠোঁট-কাটা, তালু কাটা রোগীদের আধুনিক প্লাস্টিক সার্জারী চালু প্রবাসী’র পক্ষে ব‍্যারিস্টার নাজির ও মীর্জা আসহাব এর বিমান ও পর্যটন সচিব ও উপদেষ্টার সাথে বৈঠক দুর্গাপুরে নির্বাচনী প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানিয়ারচর প্রেস ক্লাবের উন্ন‌য়নে চেয়ার-টেবিল প্রদান ক‌রে‌ছে নানিয়ারচর জোন গোদাগাড়ীতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে অর্থ আদায়

আলুর বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের

মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে এবার চাষিরা আলু চাষ কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু তানোরেই এক হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গতকাল উপজেলার চোরখৈর গ্রামে একজন চাষি আলুখেতে সেচ দিচ্ছেনছবি: প্রথম আলো
মৌসুমে আলুর দাম এতটাই কম ছিল যে অনেক চাষির উৎপাদন খরচ উঠছিল না। তাই লোকসান এড়ানোর আশায় অনেক চাষি আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু পরে সরকার হিমাগার পর্যায়ে আলুর কেজি ২২ টাকা ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করেও বিপাকে পড়ছেন চাষিরা। হিমাগারভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে তাঁদের এখন ঘর থেকে টাকা এনে দিতে হচ্ছে।

এদিকে গত মৌসুমের আলু বিক্রিতে লোকসানের কারণে এবার রাজশাহীতে প্রায় ৪ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে এই জেলায় যেখানে ৩৮ হাজার ৫৭১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল, সেখানে এবার তা কমে ৩৪ হাজার ২৮০ হেক্টরে নেমেছে। জেলার সবচেয়ে বেশি ও ভালো জাতের আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। সেখানকার চাষিরাও এবার আলু চাষ কমিয়েছেন। গত বছর তানোরে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও এবার হয়েছে ১২ হাজার ২৬৫ হেক্টরে ।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে আলু নিয়ে শুধু হতাশার গল্পই শোনা গেল। তানোর উপজেলার চোরখৈর গ্রামের চাষি মো. মইদুল ইসলাম জানান, তিনি হিমাগারে ১২১ বস্তা আলু রেখেছিলেন। সেই আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ঘর থেকে ১৬ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হয়েছে। (পর্ব– ১)

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
Translate »

আলুর বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের

আপডেট : ০৪:০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে এবার চাষিরা আলু চাষ কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু তানোরেই এক হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু চাষ হয়েছে। গতকাল উপজেলার চোরখৈর গ্রামে একজন চাষি আলুখেতে সেচ দিচ্ছেনছবি: প্রথম আলো
মৌসুমে আলুর দাম এতটাই কম ছিল যে অনেক চাষির উৎপাদন খরচ উঠছিল না। তাই লোকসান এড়ানোর আশায় অনেক চাষি আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু পরে সরকার হিমাগার পর্যায়ে আলুর কেজি ২২ টাকা ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করেও বিপাকে পড়ছেন চাষিরা। হিমাগারভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে তাঁদের এখন ঘর থেকে টাকা এনে দিতে হচ্ছে।

এদিকে গত মৌসুমের আলু বিক্রিতে লোকসানের কারণে এবার রাজশাহীতে প্রায় ৪ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কমেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে এই জেলায় যেখানে ৩৮ হাজার ৫৭১ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল, সেখানে এবার তা কমে ৩৪ হাজার ২৮০ হেক্টরে নেমেছে। জেলার সবচেয়ে বেশি ও ভালো জাতের আলু চাষ হয় তানোর উপজেলায়। সেখানকার চাষিরাও এবার আলু চাষ কমিয়েছেন। গত বছর তানোরে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও এবার হয়েছে ১২ হাজার ২৬৫ হেক্টরে ।

চাষিদের সঙ্গে কথা বলে আলু নিয়ে শুধু হতাশার গল্পই শোনা গেল। তানোর উপজেলার চোরখৈর গ্রামের চাষি মো. মইদুল ইসলাম জানান, তিনি হিমাগারে ১২১ বস্তা আলু রেখেছিলেন। সেই আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ঘর থেকে ১৬ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হয়েছে। (পর্ব– ১)