London ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

চাঞ্চল্যকর সোহাগ হত্যা মামলার দুই আসামী দুর্গাপুর থেকে গ্রেপ্তার

মামুন রণবীর, নেত্রকোনা

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার অভিযান চালিয়ে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চায়না মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ নিয়ে সোহাগ হত্যা মামলায় সাতজন গ্রেপ্তার হলেন। গ্রেপ্তারকৃত নতুন দুইজনের মধ্যে এজাহারনামীয় সাত নম্বর আসামী সজিব ব্যাপারী,অপরজন ১০ নম্বর আসামি রাজিব ব্যাপারী।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ নেত্রকোণা পুলিশের সহায়তায় দুর্গাপুরের চায়না মোড় এলাকায় গত রাত সাড়ে চারটার দিকে অভিযান চালায়। এই অভিযানে ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সজিব ও রাজিব আপন দুই ভাই।

এদিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ভাঙারি ব্যবসা ও দোকানে কারা ব্যবসা করবে, তা নিয়ে বিরোধ চলছিল। নিহত সোহাগ ও অভিযুক্তরা আগে একসঙ্গে ব্যবসা করতেন। লেনদেন ও অংশীদারত্ব নিয়ে মতবিরোধ থেকেই এই সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে।

গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ নামের ওই ব্যবসায়ীকে একদল সন্ত্রাসী পিটিয়ে ও পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করে।

নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে পরদিন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন, তারেক রহমান রবিন, টিটন গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‍্যাবের অভিযানে আলমগীর ও মনির ওরফে ছোট মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৩:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
৮৭
Translate »

চাঞ্চল্যকর সোহাগ হত্যা মামলার দুই আসামী দুর্গাপুর থেকে গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৩:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার অভিযান চালিয়ে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চায়না মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ নিয়ে সোহাগ হত্যা মামলায় সাতজন গ্রেপ্তার হলেন। গ্রেপ্তারকৃত নতুন দুইজনের মধ্যে এজাহারনামীয় সাত নম্বর আসামী সজিব ব্যাপারী,অপরজন ১০ নম্বর আসামি রাজিব ব্যাপারী।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ নেত্রকোণা পুলিশের সহায়তায় দুর্গাপুরের চায়না মোড় এলাকায় গত রাত সাড়ে চারটার দিকে অভিযান চালায়। এই অভিযানে ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সজিব ও রাজিব আপন দুই ভাই।

এদিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ভাঙারি ব্যবসা ও দোকানে কারা ব্যবসা করবে, তা নিয়ে বিরোধ চলছিল। নিহত সোহাগ ও অভিযুক্তরা আগে একসঙ্গে ব্যবসা করতেন। লেনদেন ও অংশীদারত্ব নিয়ে মতবিরোধ থেকেই এই সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে।

গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ নামের ওই ব্যবসায়ীকে একদল সন্ত্রাসী পিটিয়ে ও পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করে।

নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে পরদিন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন, তারেক রহমান রবিন, টিটন গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‍্যাবের অভিযানে আলমগীর ও মনির ওরফে ছোট মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।