London ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

ইউক্রেনে সোমবার পর্যন্ত ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা পুতিনের

অনলাইন ডেস্ক:

ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেনে দু’দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার (১৯ এপ্রিল) ক্রেমলিন জানিয়েছে, আপাতত ইউক্রেনে ‘সব ধরনের সামরিক অভিযান’ বন্ধ রাখবে রাশিয়া। এটিকেই ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা।

ইস্টার সানডে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এটি যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান বা মৃত্যু থেকে পুনর্জীবিত হওয়ার স্মরণে পালিত হয়।

ক্রেমলিনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

পুতিনের ভাষায়, মানবিক বিবেচনায় রাশিয়া একতরফাভাবে ইস্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করছে। এই সময়সীমার মধ্যে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিচ্ছি।

মস্কো আরও জানায়, তারা ধরে নিচ্ছে ইউক্রেনও ‘আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করবে’। তবে এখনো পর্যন্ত কিয়েভের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বার্তায় রুশ সেনাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, একই সময়ে রাশিয়ার বাহিনীকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য উসকানি কিংবা আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’র প্রস্তাব এটাই প্রথমবার নয়। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর কয়েক মাস পর, ২১ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উঠেছিল।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সেই সময় এই যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে মানবিক করিডোর খোলা যায় এবং যারা সংঘর্ষের এলাকা থেকে সরে যেতে চায়, তাদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ইউক্রেন প্রস্তাবে সম্মতি জানালেও রাশিয়া সেই সময় সেটি প্রত্যাখ্যান করে। মস্কো দাবি করেছিল, এটি ‘কিয়েভের জাতীয়তাবাদীদের বিশ্রামের সুযোগ’ দেবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০২:৫৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
১০২
Translate »

ইউক্রেনে সোমবার পর্যন্ত ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা পুতিনের

আপডেট : ০২:৫৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেনে দু’দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার (১৯ এপ্রিল) ক্রেমলিন জানিয়েছে, আপাতত ইউক্রেনে ‘সব ধরনের সামরিক অভিযান’ বন্ধ রাখবে রাশিয়া। এটিকেই ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা।

ইস্টার সানডে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এটি যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান বা মৃত্যু থেকে পুনর্জীবিত হওয়ার স্মরণে পালিত হয়।

ক্রেমলিনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

পুতিনের ভাষায়, মানবিক বিবেচনায় রাশিয়া একতরফাভাবে ইস্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করছে। এই সময়সীমার মধ্যে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিচ্ছি।

মস্কো আরও জানায়, তারা ধরে নিচ্ছে ইউক্রেনও ‘আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করবে’। তবে এখনো পর্যন্ত কিয়েভের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বার্তায় রুশ সেনাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, একই সময়ে রাশিয়ার বাহিনীকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য উসকানি কিংবা আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’র প্রস্তাব এটাই প্রথমবার নয়। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর কয়েক মাস পর, ২১ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উঠেছিল।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সেই সময় এই যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে মানবিক করিডোর খোলা যায় এবং যারা সংঘর্ষের এলাকা থেকে সরে যেতে চায়, তাদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ইউক্রেন প্রস্তাবে সম্মতি জানালেও রাশিয়া সেই সময় সেটি প্রত্যাখ্যান করে। মস্কো দাবি করেছিল, এটি ‘কিয়েভের জাতীয়তাবাদীদের বিশ্রামের সুযোগ’ দেবে।