রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উল্লেখযোগ্য স্থানীয় প্রার্থী না থাকায় বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন ভিপি শামসুর রহমান (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি) বর্তমানে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কৃত, সালাউদ্দিন খান পিপিএম (সদস্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি), খাইরুন নাহার খানম মীরু (আহ্বায়ক, সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপি), মাসুদুল হক (সবেক সদস্য যুবদল) ,শের আলী খান স্বপন (কুয়েত প্রদেশ বিএনপি'র আহ্বায়ক) দেশ নায়ক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা,জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, এছাড়া রাজনীতির বাইরে থেকেও সাংবাদিক এম এ আজিজ ও টকশো ব্যক্তিত্ব সাইয়েদ আব্দুল্লাহ মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা যায়।
তবে মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মী থেকে স্থানীয় জনগণ পর্যন্ত অনেকেই মত দিচ্ছেন "শের আলী খান স্বপনকে" মনোনয়ন দিলে বিএনপি ,
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মোমেনের সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেতে পারে।
কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে স্বপন একজন পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতিমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নেতা প্রবাসে থেকেও দলের সঙ্গে নিয়মিত সম্পৃক্ততা,
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সুখ-দুঃখে সম্পৃক্ততা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উপযোগী সব গুণ তার মধ্যে রয়েছে জামায়াতের পক্ষে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো কঠিন শের আলী খান স্বপন প্রচারণা শুরু করার পর খুব অল্প সময়েই নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে নতুন উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে।
অনেকের মত কেন্দ্রীয় বিএনপি সঠিক মূল্যায়ন করে "শের আলী খান স্বপনকে" ‘ধানের শীষ’-এ মনোনয়ন দিলে পাবনা-১ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত।