ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের বিজয়ী দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে পারি, বিজয় আমাদের হয়েই গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হবে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে হযরত গেদু শাহ্ চিশস্তি (রহ.)-এর ৪৯তম বাৎসরিক ওরশ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, ‘আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং তাদের নিয়েই কাজ করতে চাই।’ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক ও ইসলামী দলের মানুষের একসঙ্গে অংশগ্রহণকে তিনি নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে।’ ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে। কাউকে জোর করে বাধা দেওয়া, হামলা চালানো কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না।’
চাঁদাবাজি ও জনভোগান্তির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষসহ সবাই নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন। ৫ আগস্টের পর থেকেই বলে আসছি—ব্যবসা পরিচালনা করতে কাউকে এক পয়সাও চাঁদা দিতে হবে না। আমাদের দলের কেউ চাঁদাবাজি বা জনভোগান্তির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ওরস মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।