London ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

অনলাইন ডেস্ক

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার নিজ দল লিবারেল পার্টির সভাপতির পদ থেকে সোমবার (৬ জানুয়ারি) পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন সূত্রের বরাতে রোববার এই দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

গ্লোব অ্যান্ড মেইলকে ওই তিন ব্যক্তি বলেছেন, ট্রুডো কবে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে বুধবার একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ককাস বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তার আগেই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষনিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায় নি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদত্যাগের ঘোষণার পর ট্রুডো তৎক্ষণাৎ গদি ছেড়ে দেবেন নাকি নতুন নেতা মনোনীত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২০১৩ সালে গভীর সংকটে থাকা লিবারেল পার্টির ত্রাণকর্তা হিসেবে হাল ধরেছিলেন ট্রুডো। সেবার দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টের হাউজ অব কমন্সে তারা তৃতীয় অবস্থানে নেমে আসে।

ট্রুডোর পদত্যাগে লিবারেল পার্টি একটি স্থায়ী নেতৃত্বহীনতার মধ্যে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হতে পারে লিবারেলরা।

ওদিকে, ২০ জানুয়ারি ওভাল অফিসের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রশাসনের সঙ্গে তার সামলে চলার জন্য সব দেশ কমবেশি আটঘাট বেঁধে মাঠে নামছে। এমন সময় ট্রুডোর পদত্যাগে কানাডায় নতুন সরকার নির্বাচনের জন্য দ্রুত ভোটের আয়োজনের দাবি জোরালো হয়ে উঠতে পারে।

এক ব্যক্তির বরাতে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লিবারেল পার্টির অন্তর্বর্তীকালীন নেতা ও কানাডার অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে অর্থমন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাংক  আগ্রহী কিনা সে বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রুডো। তবে লেব্লাংক নিজেই নির্বাচনী দৌড়ে নামার পরিকল্পনা করলে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৪:০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
১০৩
Translate »

পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

আপডেট : ০৪:০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার নিজ দল লিবারেল পার্টির সভাপতির পদ থেকে সোমবার (৬ জানুয়ারি) পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন সূত্রের বরাতে রোববার এই দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

গ্লোব অ্যান্ড মেইলকে ওই তিন ব্যক্তি বলেছেন, ট্রুডো কবে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে বুধবার একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ককাস বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তার আগেই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষনিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায় নি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদত্যাগের ঘোষণার পর ট্রুডো তৎক্ষণাৎ গদি ছেড়ে দেবেন নাকি নতুন নেতা মনোনীত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২০১৩ সালে গভীর সংকটে থাকা লিবারেল পার্টির ত্রাণকর্তা হিসেবে হাল ধরেছিলেন ট্রুডো। সেবার দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টের হাউজ অব কমন্সে তারা তৃতীয় অবস্থানে নেমে আসে।

ট্রুডোর পদত্যাগে লিবারেল পার্টি একটি স্থায়ী নেতৃত্বহীনতার মধ্যে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হতে পারে লিবারেলরা।

ওদিকে, ২০ জানুয়ারি ওভাল অফিসের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রশাসনের সঙ্গে তার সামলে চলার জন্য সব দেশ কমবেশি আটঘাট বেঁধে মাঠে নামছে। এমন সময় ট্রুডোর পদত্যাগে কানাডায় নতুন সরকার নির্বাচনের জন্য দ্রুত ভোটের আয়োজনের দাবি জোরালো হয়ে উঠতে পারে।

এক ব্যক্তির বরাতে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লিবারেল পার্টির অন্তর্বর্তীকালীন নেতা ও কানাডার অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে অর্থমন্ত্রী ডোমিনিক লেব্লাংক  আগ্রহী কিনা সে বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রুডো। তবে লেব্লাংক নিজেই নির্বাচনী দৌড়ে নামার পরিকল্পনা করলে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাবে না।