বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশের মূল অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। আর সেই কৃষকদের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়- তা জানতে, বুঝতে এবং তাদের কাছ থেকে শুনতেই আমরা মাঠে এসেছি। আজ এখানে তিনজন খ্যাতিমান কৃষি বিশেষজ্ঞ আছেন। তারা কৃষকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করবেন; আর আমরা নির্বাচিত হলে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করে কৃষিতে নতুন বিপ্লব আনবো।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মতো কৃষিবান্ধব উদ্যোগ পুনরায় চালু করা হবে। পাহাড়ি ঢল, পানির সংকট, বাজারব্যবস্থার অস্থিরতা- এসব মোকাবেলায় খাল খনন ও সেচব্যবস্থা আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে কৃষিতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হবে।
এসময় তিনি কলমাকান্দা-দুর্গাপুর অঞ্চলের কৃষিকে এই এলাকার মানুষের জীবনরেখা উল্লেখ করে বলেন- বিএনপি কৃষকের পাশে ছিল, আছে ও থাকবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এম এ খায়ের এর সভাপতিত্বে উপজেলার নাজিরপুর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত কৃষি কথা ও কৃষক সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সমাবেশে অংশ নেন দুই উপজেলার হাজারো কৃষক, স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।
এই আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ওয়াজেদ আলী খান চাষী বলেন,কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষিখাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পর্যাপ্ত ভর্তুকি ও সহজ শর্তে কৃষিঋণের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
সমাবেশে কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন- প্রফেসর ড. মোঃ শফিউল্লাহ মজুমদার, কৃষিবিদ ড. আহমেদ খায়রুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান। তারা বীজের মান উন্নয়ন, মাটির স্বাস্থ্য, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।