London ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
লেখক ও গবেষক জসীম উদ্দিন খন্দকার রচিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনু‌ষ্ঠিত একজন সফল মহিলা উদ্যোক্তার গল্প সিরাজগঞ্জে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ সিরাজগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত রাজশাহীতে আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক আবর্জনা সংগ্রহে মিলছে নগদ টাকা সিরাজগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে হাজী আব্দুস সাত্তার সিরাজগঞ্জে ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ, দুই ব্যবসায়ীর জেল-জরিমানা সিরাজগ‌ঞ্জে মাছবোঝাই নসিমনের চাপায় শিশু নিহত রাজশাহীতে প্রতারণা করে জুলাই সনদ গ্রহন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন, ইতালী শাখা’র উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আবর্জনা সংগ্রহে মিলছে নগদ টাকা সিরাজগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে হাজী আব্দুস সাত্তার

ওয়াসিম সেখ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা’ নামে একটি ব্যতিক্রমী প্রকল্প চালু করেছেন সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক হাজী আব্দুস সাত্তার।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টায় শহরের ধানবান্ধিস্থ মতি সাহেবের ঘাট জামে মসজিদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রকল্পের আওতায় জেলার গরিব, অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিরা কাজের মাধ্যমে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন। পৌর শহরের রাস্তাঘাট থেকে আবর্জনা, পলিথিন, গাছের পাতা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা সংগ্রহ করে একটি ব্যাগ ভর্তি করে জমা দিলে দেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। কেউ ৫টি ব্যাগ জমা দিলে পাচ্ছেন ৫০০ টাকা।
সংগৃহীত ময়লার ব্যাগ আব্দুল মালেক ও আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। পরে সেসব ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

কাটাওয়াপাড়া এলাকার মাসুদ বলেন, প্রতি সপ্তাহে হাজী সাত্তার ভাই আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করতেন। আজ সাহায্যের জন্য গেলে তিনি বলেন, যতগুলো আবর্জনার বস্তা দিবি, প্রতি বস্তায় ১০০ টাকা করে পাবি। আমি আজ ৮টি বস্তা এনে ৮০০ টাকা পেয়েছি।
মতি সাহেবের ঘাট এলাকার সুন্দরী বেগম বলেন, আমি শহর থেকে ৩ বস্তা পলিথিনসহ আবর্জনা এনে দিয়েছি। আমাকে ৩০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোক্তা হাজী আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমি প্রতি সপ্তাহে অসহায়, দুস্থ ও গরিবদের আর্থিক সহযোগিতা করে আসছি। এবার সহযোগিতার পরিবর্তে তাদের পরিশ্রমের মূল্য দিচ্ছি। এতে দুটি কাজ হচ্ছে-একদিকে তারা আয় করতে পারছে, অন্যদিকে শহর পরিচ্ছন্ন থাকছে।
তিনি আরও বলেন, আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং আমাদের প্রিয় শহর সিরাজগঞ্জকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে একসঙ্গে কাজ করি।

উল্লেখ্য, শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন সকাল থেকে ৫টি ভ্যানযোগে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়কে পানি ছিটানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০২:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Translate »

আবর্জনা সংগ্রহে মিলছে নগদ টাকা সিরাজগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে হাজী আব্দুস সাত্তার

আপডেট : ০২:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা’ নামে একটি ব্যতিক্রমী প্রকল্প চালু করেছেন সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক হাজী আব্দুস সাত্তার।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টায় শহরের ধানবান্ধিস্থ মতি সাহেবের ঘাট জামে মসজিদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রকল্পের আওতায় জেলার গরিব, অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিরা কাজের মাধ্যমে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন। পৌর শহরের রাস্তাঘাট থেকে আবর্জনা, পলিথিন, গাছের পাতা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা সংগ্রহ করে একটি ব্যাগ ভর্তি করে জমা দিলে দেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। কেউ ৫টি ব্যাগ জমা দিলে পাচ্ছেন ৫০০ টাকা।
সংগৃহীত ময়লার ব্যাগ আব্দুল মালেক ও আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। পরে সেসব ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

কাটাওয়াপাড়া এলাকার মাসুদ বলেন, প্রতি সপ্তাহে হাজী সাত্তার ভাই আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করতেন। আজ সাহায্যের জন্য গেলে তিনি বলেন, যতগুলো আবর্জনার বস্তা দিবি, প্রতি বস্তায় ১০০ টাকা করে পাবি। আমি আজ ৮টি বস্তা এনে ৮০০ টাকা পেয়েছি।
মতি সাহেবের ঘাট এলাকার সুন্দরী বেগম বলেন, আমি শহর থেকে ৩ বস্তা পলিথিনসহ আবর্জনা এনে দিয়েছি। আমাকে ৩০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোক্তা হাজী আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমি প্রতি সপ্তাহে অসহায়, দুস্থ ও গরিবদের আর্থিক সহযোগিতা করে আসছি। এবার সহযোগিতার পরিবর্তে তাদের পরিশ্রমের মূল্য দিচ্ছি। এতে দুটি কাজ হচ্ছে-একদিকে তারা আয় করতে পারছে, অন্যদিকে শহর পরিচ্ছন্ন থাকছে।
তিনি আরও বলেন, আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং আমাদের প্রিয় শহর সিরাজগঞ্জকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে একসঙ্গে কাজ করি।

উল্লেখ্য, শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন সকাল থেকে ৫টি ভ্যানযোগে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়কে পানি ছিটানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।