London ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

সবজির দামে খুশি ক্রেতারা তবে চাল-তেলে এখনও অস্বস্তি

অনলাইন ডেস্ক

বছরের অন্যান্য সময় দাম চড়া থাকলেও এখন বেশ কম যাচ্ছে সবজির দর। ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। এতে খুশি ক্রেতারা। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, খিরাই ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি কেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, শিম বিচিসহ কেজি ৪০ টাকা, আর সাধারণ শিম ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লম্বা আকৃতির বেগুন ৪০ টাকা, গোল বেগুন ৫০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা।

কাঁচামরিচ কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখন সবচেয়ে কম দাম চলছে সবজির। এক দেড় মাস আগেও সবজির দাম বেশি ছিল, তার আগে আরও চড়া ছিল সবজির বাজার। তখন সাধারণ ক্রেতারা খুব অল্প পরিমাণের সবজি কিনতো। সেই তুলনায় এখন সবজি দাম অনেক কম। আগে যে ক্রেতা আধা কেজি সবজি কিনতো, সেই ক্রেতাই এখন ১ কেজি থেকে ২ কেজি করে কেনেন।

অন্যদিকে সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও বাজারে চালের দাম বেশ চড়া। মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো চিকন চাল কিনতে প্রতি কেজিতে দাম দিতে হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। চিকন চালের দাম গত এক মাসে কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। বেড়েছে মোটা ও মাঝারি চালের দামও।

এছাড়া এক মাস পরও স্বাভাবিক হয়নি সয়াবিন তেলের বাজার। এখনো সয়াবিন তেলের সংকটে ভুগছেন গ্রাহক ও খুচরা বিক্রেতারা।

দাম বাড়ানোর এক মাসের মাথায়ও বাজারে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। এখনো পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে মিলছে না সয়াবিন তেল। গত ৯ ডিসেম্বর সরকার তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এতে প্রতি লিটার খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ে আট টাকা করে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে ১৭৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৫৭ টাকা।

তবে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগি ও ডিমের দাম। বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২৪০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকা কেজি, দেশি মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০১:২৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
৯৪
Translate »

সবজির দামে খুশি ক্রেতারা তবে চাল-তেলে এখনও অস্বস্তি

আপডেট : ০১:২৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

বছরের অন্যান্য সময় দাম চড়া থাকলেও এখন বেশ কম যাচ্ছে সবজির দর। ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। এতে খুশি ক্রেতারা। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, খিরাই ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি কেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, শিম বিচিসহ কেজি ৪০ টাকা, আর সাধারণ শিম ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লম্বা আকৃতির বেগুন ৪০ টাকা, গোল বেগুন ৫০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা।

কাঁচামরিচ কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখন সবচেয়ে কম দাম চলছে সবজির। এক দেড় মাস আগেও সবজির দাম বেশি ছিল, তার আগে আরও চড়া ছিল সবজির বাজার। তখন সাধারণ ক্রেতারা খুব অল্প পরিমাণের সবজি কিনতো। সেই তুলনায় এখন সবজি দাম অনেক কম। আগে যে ক্রেতা আধা কেজি সবজি কিনতো, সেই ক্রেতাই এখন ১ কেজি থেকে ২ কেজি করে কেনেন।

অন্যদিকে সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও বাজারে চালের দাম বেশ চড়া। মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো চিকন চাল কিনতে প্রতি কেজিতে দাম দিতে হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। চিকন চালের দাম গত এক মাসে কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। বেড়েছে মোটা ও মাঝারি চালের দামও।

এছাড়া এক মাস পরও স্বাভাবিক হয়নি সয়াবিন তেলের বাজার। এখনো সয়াবিন তেলের সংকটে ভুগছেন গ্রাহক ও খুচরা বিক্রেতারা।

দাম বাড়ানোর এক মাসের মাথায়ও বাজারে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। এখনো পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে মিলছে না সয়াবিন তেল। গত ৯ ডিসেম্বর সরকার তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এতে প্রতি লিটার খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ে আট টাকা করে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে ১৭৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৫৭ টাকা।

তবে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগি ও ডিমের দাম। বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২৪০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকা কেজি, দেশি মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।