London ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

শীতকালে সোয়েটার-মোজা পরে ঘুমালে হতে পারে যে বিপদ!

অনলাইন ডেস্ক

শীতকালে রাতে শুতে যাওয়ার সময় অনেকেই উলের পোশাক বা সোয়েটার পরে ঘুমায়। কিন্তু এই ছোট অসাবধানতা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় বোঝা চাপিয়ে দিতে পারে। শীতে সোয়েটার পরা ভালো হলেও এটি পরে ঘুমিয়ে যাওয়া উচিত নয়। এতে রক্তপ্রবাহ সংকুচিত হয়ে যায়। পশমের পোশাক পরে ঘুমালে শরীর উষ্ণ হলেও বিপরীতে রক্তচাপ হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমানোর সময় সোয়েটার পরা ভালো নয়। এতে স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হতে পারে।

শীতকালে সোয়েটার এবং মোজা পরে ঘুমোনোর অসুবিধাগুলো কী কী?

হৃদরোগীর জন্য রাতে সোয়েটার পরে ঘুমোনো খুবই ক্ষতিকর। আসলে, উলের কাপড়ে ঘন ফাইবার থাকে। যা শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। রাতের বেলা শরীরের তাপমাত্রার পাশাপাশি, কুইল্ট, কম্বল এবং তারপরে পশমী কাপড় অনেক উষ্ণতা প্রদান করে। শরীরে প্রাপ্ত অতিরিক্ত তাপ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

রাতে সোয়েটার পরে ঘুমালে ত্বক শুকিয়ে যায়। এর ফলে এগজিমা এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে শরীরে উপস্থিত রক্তনালিগুলো সঙ্কুচিত হয়ে ছোট হয়ে যায়। এমন অবস্থায় যখন কোনও ব্যক্তি পশমী কাপড় পরে ঘুমোন, সেই সময় তার শরীরে খুব গরম অনুভূব হয়। অতিরিক্ত গরমের কারণে অস্থিরতা, নার্ভাসনেস এবং লো ব্লাড প্রেসারের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই ধরনের সমস্যা এড়াতে সুতির কাপড় পরে ঘুমোনো উচিত। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে। রাতে আরামদায়ক ঘুমও হয়।

উলের কাপড় যেহেতু শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, তাই এমন অবস্থায় কেউ যদি পশমী কাপড়ের সঙ্গে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমোন, তা হলে সেই ব্যক্তির শরীরে ঘাম হতে পারে। ঘামের কারণে শরীরে জ্বালা, চুলকানি এমনকি অ্যালার্জিও হতে পারে। কারও ত্বক যদি শুষ্ক থাকে, তা হলে এই সমস্যা খুবই মারাত্মক হতে পারে। তাই রাতের বেলা উলের কাপড় এড়িয়ে চলাই ভালো।

রাতে ভালো ঘুমের জন্য কিছু টিপস মেনে চলতে পারেন। চিকিৎসকদের মতে, শীতে ঘুমোনোর আগে ঘরের তাপমাত্রা ১০-২০ ডিগ্রিতে রাখলে ভালো ঘুম হবে। সুতির কাপড় পরতে পারেন। ঘুমোনোর আগে যোগব্যায়াম করতে পারেন। যা সারাদিনের চাপ থেকে মুক্তি দেবে।

সোয়েটার পরে ঘুমানোর কারণে ত্বকে কোনও সমস্যা হলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। না হলে ভবিষ্যতে এগুলো মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৫:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
১০২
Translate »

শীতকালে সোয়েটার-মোজা পরে ঘুমালে হতে পারে যে বিপদ!

আপডেট : ০৫:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

শীতকালে রাতে শুতে যাওয়ার সময় অনেকেই উলের পোশাক বা সোয়েটার পরে ঘুমায়। কিন্তু এই ছোট অসাবধানতা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় বোঝা চাপিয়ে দিতে পারে। শীতে সোয়েটার পরা ভালো হলেও এটি পরে ঘুমিয়ে যাওয়া উচিত নয়। এতে রক্তপ্রবাহ সংকুচিত হয়ে যায়। পশমের পোশাক পরে ঘুমালে শরীর উষ্ণ হলেও বিপরীতে রক্তচাপ হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমানোর সময় সোয়েটার পরা ভালো নয়। এতে স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হতে পারে।

শীতকালে সোয়েটার এবং মোজা পরে ঘুমোনোর অসুবিধাগুলো কী কী?

হৃদরোগীর জন্য রাতে সোয়েটার পরে ঘুমোনো খুবই ক্ষতিকর। আসলে, উলের কাপড়ে ঘন ফাইবার থাকে। যা শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। রাতের বেলা শরীরের তাপমাত্রার পাশাপাশি, কুইল্ট, কম্বল এবং তারপরে পশমী কাপড় অনেক উষ্ণতা প্রদান করে। শরীরে প্রাপ্ত অতিরিক্ত তাপ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

রাতে সোয়েটার পরে ঘুমালে ত্বক শুকিয়ে যায়। এর ফলে এগজিমা এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে শরীরে উপস্থিত রক্তনালিগুলো সঙ্কুচিত হয়ে ছোট হয়ে যায়। এমন অবস্থায় যখন কোনও ব্যক্তি পশমী কাপড় পরে ঘুমোন, সেই সময় তার শরীরে খুব গরম অনুভূব হয়। অতিরিক্ত গরমের কারণে অস্থিরতা, নার্ভাসনেস এবং লো ব্লাড প্রেসারের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই ধরনের সমস্যা এড়াতে সুতির কাপড় পরে ঘুমোনো উচিত। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে। রাতে আরামদায়ক ঘুমও হয়।

উলের কাপড় যেহেতু শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, তাই এমন অবস্থায় কেউ যদি পশমী কাপড়ের সঙ্গে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমোন, তা হলে সেই ব্যক্তির শরীরে ঘাম হতে পারে। ঘামের কারণে শরীরে জ্বালা, চুলকানি এমনকি অ্যালার্জিও হতে পারে। কারও ত্বক যদি শুষ্ক থাকে, তা হলে এই সমস্যা খুবই মারাত্মক হতে পারে। তাই রাতের বেলা উলের কাপড় এড়িয়ে চলাই ভালো।

রাতে ভালো ঘুমের জন্য কিছু টিপস মেনে চলতে পারেন। চিকিৎসকদের মতে, শীতে ঘুমোনোর আগে ঘরের তাপমাত্রা ১০-২০ ডিগ্রিতে রাখলে ভালো ঘুম হবে। সুতির কাপড় পরতে পারেন। ঘুমোনোর আগে যোগব্যায়াম করতে পারেন। যা সারাদিনের চাপ থেকে মুক্তি দেবে।

সোয়েটার পরে ঘুমানোর কারণে ত্বকে কোনও সমস্যা হলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। না হলে ভবিষ্যতে এগুলো মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।