London ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী জেলার চারটি ইউনিট বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত রাণীনগরে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের লিফলেট বিতরণ সিরাজগঞ্জে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে রংতুলি শ্রমিক ফেডারেশনের খাদ্য সামগ্রী প্রদান নেত্রকোণায় জলমহাল সংস্কার ও খনন শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত আলুর বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়াই উঠছে না কৃষকের শিয়ালকোলে বারাআত মাহফিলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৮০ ড্রেস বিতরণ সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে ঠোঁট-কাটা, তালু কাটা রোগীদের আধুনিক প্লাস্টিক সার্জারী চালু প্রবাসী’র পক্ষে ব‍্যারিস্টার নাজির ও মীর্জা আসহাব এর বিমান ও পর্যটন সচিব ও উপদেষ্টার সাথে বৈঠক

বিশেষ অভিযানে মাদকের ১১ গডফাদারসহ ৮৯ শীর্ষ কারবারি গ্রেপ্তার

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

দেশব্যাপী এক মাসের বিশেষ অভিযানে ১১ জন গডফাদারসহ ৮৯ জন শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ৫ হাজার ২৬৪টি অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় মামলা হয় ১ হাজার ১৯৮টি। গ্রেপ্তার হন মোট ১ হাজার ২৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন গডফাদারসহ ৮৯ জন শীর্ষ মাদক কারবারি রয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযানের সময় ৩ লাখ ৯ হাজার ১০১টি ইয়াবা, ৩ দশমিক ৭৬ কেজি হেরোইন, ১ দশমিক ১ কেজি আইস, ৩ হাজার ৭৭৪ বোতল ফেনসিডিল ও ২ হাজার ৪১৬ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে আরও রয়েছে, বিয়ার ২ হাজার ৪১৬ ক্যান, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৫ হাজার ৭৯১ পিস, চোলাই মদ ১ হাজার ৩৮০ লিটার, ৬৬৪ কেজি গাঁজা, ইনজেকশন ৪ হাজার ২২২ অ্যাম্পুল। এর বাইরে অভিযানকাল একটি শটগান, ৫১টি গুলি, ৯টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং ২১ লাখ ১১ হাজার ৭৮০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমাদের প্রতি একটি অভিযোগ রয়েছে, আমরা শুধু ছোট মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করি বা আইনের আওতায় আনি। তবে এটি ঠিক নয়। আমরা বড় মাদক ব্যবসায়ীদেরও আইনের আওতায় আনি।’

অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর প্রকৃত সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সংখ্যা কমানো হয়নি।’

রাজধানী ঢাকার অবৈধ বারের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বলেন, ‘কেউ অবৈধভাবে মাদক বিক্রি করতে পারবে না। এ বিষয়ে আমরা সব সময় কাজ করি। আপনাদের কাছে তথ্য থাকলেও আমাদের দিন। প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
১৩০
Translate »

বিশেষ অভিযানে মাদকের ১১ গডফাদারসহ ৮৯ শীর্ষ কারবারি গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

দেশব্যাপী এক মাসের বিশেষ অভিযানে ১১ জন গডফাদারসহ ৮৯ জন শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ৫ হাজার ২৬৪টি অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় মামলা হয় ১ হাজার ১৯৮টি। গ্রেপ্তার হন মোট ১ হাজার ২৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন গডফাদারসহ ৮৯ জন শীর্ষ মাদক কারবারি রয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযানের সময় ৩ লাখ ৯ হাজার ১০১টি ইয়াবা, ৩ দশমিক ৭৬ কেজি হেরোইন, ১ দশমিক ১ কেজি আইস, ৩ হাজার ৭৭৪ বোতল ফেনসিডিল ও ২ হাজার ৪১৬ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে আরও রয়েছে, বিয়ার ২ হাজার ৪১৬ ক্যান, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৫ হাজার ৭৯১ পিস, চোলাই মদ ১ হাজার ৩৮০ লিটার, ৬৬৪ কেজি গাঁজা, ইনজেকশন ৪ হাজার ২২২ অ্যাম্পুল। এর বাইরে অভিযানকাল একটি শটগান, ৫১টি গুলি, ৯টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং ২১ লাখ ১১ হাজার ৭৮০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমাদের প্রতি একটি অভিযোগ রয়েছে, আমরা শুধু ছোট মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করি বা আইনের আওতায় আনি। তবে এটি ঠিক নয়। আমরা বড় মাদক ব্যবসায়ীদেরও আইনের আওতায় আনি।’

অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর প্রকৃত সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সংখ্যা কমানো হয়নি।’

রাজধানী ঢাকার অবৈধ বারের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বলেন, ‘কেউ অবৈধভাবে মাদক বিক্রি করতে পারবে না। এ বিষয়ে আমরা সব সময় কাজ করি। আপনাদের কাছে তথ্য থাকলেও আমাদের দিন। প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’