London ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

পটুয়াখালীতে উচ্ছেদ অভিযান প্রশংসায় ভাসছেন জেলা প্রশাসন স্থায়িত্ব নিয়ে জনমনে সংশয়

মুহাম্মাদ রাকিব, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। পটুয়াখালী সদর উপজেলার অন্তর্গত হেতালিয়া বাঁধঘাট, চৌরাস্তা ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাসমূহ জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ নাছিম রেজা’র নেতৃত্বে উচ্ছেদ করা হয়। এতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর- ১৬৬ টি, স্টার রেস্টুরেন্টের অবৈধ অংশ, একটি বাড়ির অবৈধ সিড়ির অংশ, শরীফ হোসেন সোনাবানু স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে অবৈধভাবে নির্মিত বাগান, অবৈধভাবে নির্মিত গাড়ি পরিষ্কার করার র‍্যাম্প- ৪ টি, অবৈধভাবে নির্মিত ফার্মেসি- ৩ টি, অবৈধ বিলবোর্ড- ১ টি সহ বহু অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন। পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সহায়তায় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক উক্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে উক্ত এলাকায় যানজটের কারণে সৃষ্ট জনদূর্ভোগ লাঘব হবে ও সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাস পাবে বলে সাধারণ জনগণ সন্তোষ জ্ঞাপন করেছেন।

উচ্ছেদ পরবর্তী পুনরুদ্ধারকৃত সরকারি জমিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন ৷ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের এমন সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন পটুয়াখালীর বিভিন্ন মহল।প্রতিনিয়ত পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক একের পর এক এরকম সাহসী পদক্ষেপ এখন পটুয়াখালী বাসির মুখে মুখে আলোচনা হচ্ছে।এসব ভালো কাজের জন্য সর্বমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ।পটুয়াখালী চৌরাস্তার একাধিক ব্যক্তি জানান, পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসকের একের পর এক সাহসী পদক্ষেপে পটুয়াখালীর মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা আরো বলেন বিগত সময়ে সড়কের এ সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের পিছনে রয়েছে দুর্নীতিবাজ , মাদক ব্যবসায়ীর হাত যে সদস্যরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন লন্ড ভন্ড স্থাপনাগুলোতে ঘুরে কিছুদিন পরই আবার বসা যাবে বলে আশ্বাস্থ করেছেন উচ্ছেদকৃত স্থাপনার দখলদারদের । সরেজমিনে কিছু দোকানদারদের অস্থায়ীভাবে দোকানদারি করতে ও দেখা যাচ্ছে । তারা মনে করেন যদি সরকারের সকল দপ্তরে থাকতো তাহলে সাধারণ মানুষের সেবাসহ যাবতীয় কিছু পেতে আর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে যা কোন জেলা প্রশাসক ইতিপূর্বে করতে পারেনি বা করার সাহসও দেখাননি। বর্তমান জেলা প্রশাসক এর এমন সাহসী কর্মকান্ডে প্রশাসনের মান মর্যাদা অনেক গুনে বেড়ে গিয়েছে বলে ধারণা করেন পটুয়াখালীর সচেতন মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০২:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৩
Translate »

পটুয়াখালীতে উচ্ছেদ অভিযান প্রশংসায় ভাসছেন জেলা প্রশাসন স্থায়িত্ব নিয়ে জনমনে সংশয়

আপডেট : ০২:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। পটুয়াখালী সদর উপজেলার অন্তর্গত হেতালিয়া বাঁধঘাট, চৌরাস্তা ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাসমূহ জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ নাছিম রেজা’র নেতৃত্বে উচ্ছেদ করা হয়। এতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর- ১৬৬ টি, স্টার রেস্টুরেন্টের অবৈধ অংশ, একটি বাড়ির অবৈধ সিড়ির অংশ, শরীফ হোসেন সোনাবানু স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে অবৈধভাবে নির্মিত বাগান, অবৈধভাবে নির্মিত গাড়ি পরিষ্কার করার র‍্যাম্প- ৪ টি, অবৈধভাবে নির্মিত ফার্মেসি- ৩ টি, অবৈধ বিলবোর্ড- ১ টি সহ বহু অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন। পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সহায়তায় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক উক্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে উক্ত এলাকায় যানজটের কারণে সৃষ্ট জনদূর্ভোগ লাঘব হবে ও সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাস পাবে বলে সাধারণ জনগণ সন্তোষ জ্ঞাপন করেছেন।

উচ্ছেদ পরবর্তী পুনরুদ্ধারকৃত সরকারি জমিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন ৷ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের এমন সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন পটুয়াখালীর বিভিন্ন মহল।প্রতিনিয়ত পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক একের পর এক এরকম সাহসী পদক্ষেপ এখন পটুয়াখালী বাসির মুখে মুখে আলোচনা হচ্ছে।এসব ভালো কাজের জন্য সর্বমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ।পটুয়াখালী চৌরাস্তার একাধিক ব্যক্তি জানান, পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসকের একের পর এক সাহসী পদক্ষেপে পটুয়াখালীর মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা আরো বলেন বিগত সময়ে সড়কের এ সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের পিছনে রয়েছে দুর্নীতিবাজ , মাদক ব্যবসায়ীর হাত যে সদস্যরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন লন্ড ভন্ড স্থাপনাগুলোতে ঘুরে কিছুদিন পরই আবার বসা যাবে বলে আশ্বাস্থ করেছেন উচ্ছেদকৃত স্থাপনার দখলদারদের । সরেজমিনে কিছু দোকানদারদের অস্থায়ীভাবে দোকানদারি করতে ও দেখা যাচ্ছে । তারা মনে করেন যদি সরকারের সকল দপ্তরে থাকতো তাহলে সাধারণ মানুষের সেবাসহ যাবতীয় কিছু পেতে আর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে যা কোন জেলা প্রশাসক ইতিপূর্বে করতে পারেনি বা করার সাহসও দেখাননি। বর্তমান জেলা প্রশাসক এর এমন সাহসী কর্মকান্ডে প্রশাসনের মান মর্যাদা অনেক গুনে বেড়ে গিয়েছে বলে ধারণা করেন পটুয়াখালীর সচেতন মহল।