London ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কালকিনি রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষনা! কালকিনিতে পালিত বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও গবেষণাভিত্তিক দক্ষতার অনন্য স্বীকৃতি: CAP–Expert অর্জন করলেন কসবার কৃতি সন্তান ড. সফিকুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ কালকিনি উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষনা শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত বাগমারায় পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধান নানিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রামে চ্যানেল এস-এর গৌরবময় বর্ষপূর্তি উদযাপন গুণিজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

ইস্ট লন্ডনে লেবার পার্টিতে বড় ধাক্কা: দুই সাবেক মেয়র ও এক কাউন্সিলরের পদত্যাগ

ডেস্ক রিপোর্ট,লন্ডন

ইস্ট লন্ডনের রাজনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রায় দুই দশক ধরে লেবার পার্টির সঙ্গে যুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করা বার্কিং ও ডাগেনহ্যামের প্রাক্তন মেয়র মঈন কাদেরী, প্রাক্তন মেয়র ফারুক চৌধুরী এবং কাউন্সিলর ভিক্টোরিয়া হর্নবি শুক্রবার রাতে লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই তিন জনপ্রতিনিধির হঠাৎ পদত্যাগে ইস্ট লন্ডনের লেবার রাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

মঈন কাদেরী এক বিবৃতিতে বলেছেন, “কিয়ার হার্ডি যে লেবার ভ্যালু তৈরি করেছিলেন, বর্তমান লেবার পার্টি সেটিকে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করে ফেলেছে। জনগণের সেবা, স্বাস্থ্যসেবা (NHS) এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে লেবারের কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকার সেবা পর্যাপ্ত নয়, যারা প্রকৃত সহায়তার প্রয়োজন তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না।”

গাজা সংকট, অভিবাসন এবং জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে অসন্তোষ।

বর্তমান গাজা ইস্যুতে লেবারের অবস্থান, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় — এসব কারণেই পদত্যাগের পেছনে প্রভাব রয়েছে। পদত্যাগকারীরা অভিযোগ করেছেন যে,
• লেবার স্থানীয় মানুষকে ঘর দিচ্ছে না,
• প্রয়োজনীয় সেবা পর্যাপ্তভাবে সরবরাহ করছে না,
• স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক সেবা পর্যাপ্ত নয়।

ইস্ট লন্ডনে ভোটে নেতিবাচক প্রভাব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্কিং ও ডাগেনহ্যাম, টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহ্যাম এবং রেডব্রিজে লেবারের জন্য এটি বড় আঘাত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন লেবারকে ভোট দিয়ে আসা অনেক বাসিন্দা এখন আর পার্টির প্রতি আস্থা রাখছেন না। অনেকেই লেবার ছেড়ে গ্রীন পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন।

এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “যেভাবে নেতারা লেবার ছেড়ে যাচ্ছেন, তাতে আগামী নির্বাচনে ইস্ট লন্ডনে লেবারের জন্য বড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
আপডেট : ০৭:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৮৭
Translate »

ইস্ট লন্ডনে লেবার পার্টিতে বড় ধাক্কা: দুই সাবেক মেয়র ও এক কাউন্সিলরের পদত্যাগ

আপডেট : ০৭:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইস্ট লন্ডনের রাজনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রায় দুই দশক ধরে লেবার পার্টির সঙ্গে যুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করা বার্কিং ও ডাগেনহ্যামের প্রাক্তন মেয়র মঈন কাদেরী, প্রাক্তন মেয়র ফারুক চৌধুরী এবং কাউন্সিলর ভিক্টোরিয়া হর্নবি শুক্রবার রাতে লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই তিন জনপ্রতিনিধির হঠাৎ পদত্যাগে ইস্ট লন্ডনের লেবার রাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

মঈন কাদেরী এক বিবৃতিতে বলেছেন, “কিয়ার হার্ডি যে লেবার ভ্যালু তৈরি করেছিলেন, বর্তমান লেবার পার্টি সেটিকে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করে ফেলেছে। জনগণের সেবা, স্বাস্থ্যসেবা (NHS) এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে লেবারের কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকার সেবা পর্যাপ্ত নয়, যারা প্রকৃত সহায়তার প্রয়োজন তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না।”

গাজা সংকট, অভিবাসন এবং জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে অসন্তোষ।

বর্তমান গাজা ইস্যুতে লেবারের অবস্থান, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় — এসব কারণেই পদত্যাগের পেছনে প্রভাব রয়েছে। পদত্যাগকারীরা অভিযোগ করেছেন যে,
• লেবার স্থানীয় মানুষকে ঘর দিচ্ছে না,
• প্রয়োজনীয় সেবা পর্যাপ্তভাবে সরবরাহ করছে না,
• স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক সেবা পর্যাপ্ত নয়।

ইস্ট লন্ডনে ভোটে নেতিবাচক প্রভাব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্কিং ও ডাগেনহ্যাম, টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহ্যাম এবং রেডব্রিজে লেবারের জন্য এটি বড় আঘাত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন লেবারকে ভোট দিয়ে আসা অনেক বাসিন্দা এখন আর পার্টির প্রতি আস্থা রাখছেন না। অনেকেই লেবার ছেড়ে গ্রীন পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন।

এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “যেভাবে নেতারা লেবার ছেড়ে যাচ্ছেন, তাতে আগামী নির্বাচনে ইস্ট লন্ডনে লেবারের জন্য বড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে।”